সাধারণত শুক্রবারে সে ৬টা-৭টার দিকেই বাসায় ফিরে আসে।
"আমার ছেলে প্রতি শুক্রবারেই জুম্মার নামাজ পড়ে। গত পরশুও সে যথারীতি জুম্মার নামাজ পড়ে এসেছে, আমিও পড়ে এসেছি। নামাজ থেকে ফিরে এসে আমি তাকে খেতে বসতে বললাম এবং নিজে খাইয়ে দিতে চাইলাম।
সে বলল, 'তুমি খাইয়ে দাও'। আমি তাকে খাইয়ে দিলাম।
খাওয়া শেষ হলে তাকে ড্রেস চেঞ্জ করতে বললাম। কিন্তু সে বলল, 'আমি একটু বাইরে যাব, বন্ধুদের সাথে ছবি তুলবো, আবার চলে আসবো'। সে খুব আনন্দের সাথে দরজা খুলে আম্মুকে বলে গেল, 'আব্বু গেলাম, আম্মু গেলাম'।
সাধারণত শুক্রবারে সে ৬টা-৭টার দিকেই বাসায় ফিরে আসে। সপ্তাহের অন্যান্য দিনগুলোতে দুইজন টিউটর থাকায় তার বাইরে যাওয়ার তেমন সুযোগ থাকে না। সে তিন-চার মাস ধরে বাইরে কম বের হচ্ছিলো, তাই হয়তো তার বন্ধুরা ভাবছিলো সে কেন আগের মতো বের হয় না।
ওদিন সে বাইরে যাওয়ার পর যখন রাতেও ফিরছিলো না, তখন আমরা চিন্তা করতে শুরু করি। ওর আম্মু আমাকে ফোন দিয়ে বললো যে, সে এখনো আসেনি। এরপর আমরা পুলিশ ফাঁড়ি ও স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তার কাছে যাই।
ওর কাছে একটা আইফোন ছিল। সম্ভবত ওর পরিচিত কোনো মানুষ বা বন্ধুরা তাকে বাইরে খাওয়ানোর কথা বলে টার্গেট করে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে ওর যে অবস্থা ও ছবি দেখা গেছে, তাতে মনে হয় ওর সাথে অনেক ধস্তাধস্তি করা হয়েছে।
আমার ছেলের বয়স মাত্র ১৩ বছর, সে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে। তার এমন কোনো শত্রুতা, প্রতিক্রিয়া বা ঝামেলার সাথে যুক্ত থাকার কথা নয় যে কারণে তাকে মে* ফেলা হবে। মূল বিষয় হলো ওর কাছে থাকা আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়া। যেহেতু ছিনতাইকারীরা ওর পরিচিত ছিল এবং তারা ভেবেছিল ও সবাইকে সব বলে দেবে, সেই ভয়েই হয়তো ওকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে।"
~ অপ্রীতমের বাবার বক্তব্য

Comments
Post a Comment